সব বেলার খাবার
৩ বেলা খাবার, সকাল-বিকেলের নাশতা ও সীমাহীন চা।
আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্যাকেজ — কটকা, কচিখালী, জামতলা ও হারবাড়িয়া। খুলনা থেকে ছেড়ে খুলনায় ফেরা।
প্রথম দিন
সকাল ৭:৩০ — রূপসা ঘাটে রিপোর্টিং ও কেবিন বুঝে নেওয়া।
সকাল ৮:০০ — যাত্রা শুরু, জাহাজে সকালের নাশতা।
দুপুর ১:০০ — দুপুরের খাবার।
বিকেল ৩:৩০ — হারবাড়িয়া ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র, কাঠের ট্রেইল ও ওয়াচ টাওয়ার।
সন্ধ্যা ৭:০০ — চা ও নাশতা, গাইডের ব্রিফিং।
রাত ৯:০০ — বারবিকিউ ও রাতের খাবার, জাহাজে রাত্রিযাপন।
দ্বিতীয় দিন
ভোর ৫:৩০ — কটকা পৌঁছে সূর্যোদয় দেখা।
সকাল ৬:৩০ — কটকা ওয়াচ টাওয়ার ও বন্যপ্রাণী দর্শন।
সকাল ৯:০০ — জামতলা সৈকতে হাঁটা (বনের ভেতর দিয়ে ৩ কি.মি.)।
দুপুর ১:০০ — জাহাজে দুপুরের খাবার, কচিখালীর দিকে যাত্রা।
বিকেল ৪:০০ — ডিঙি নৌকায় সরু খাল ভ্রমণ।
রাত ৮:৩০ — সাংস্কৃতিক আয়োজন ও রাতের খাবার।
তৃতীয় দিন
সকাল ৮:০০ — করমজল কুমির ও হরিণ প্রজনন কেন্দ্র।
দুপুর ১২:৩০ — দুপুরের খাবার, খুলনার পথে যাত্রা।
সন্ধ্যা ৬:০০ — রূপসা ঘাটে পৌঁছে যাত্রা সমাপ্ত।
| ধরন | মূল্য | ন্যূনতম |
|---|---|---|
| শেয়ারিং (ওপেন ডেক) | ৳৯,৫০০ | ১ জন থেকে |
| কাপল কেবিন | ৳১৩,৫০০ জনপ্রতি | ২ জন |
| ফ্যামিলি কেবিন | ৳১২,৫০০ জনপ্রতি | ৪ জন |
| শিশু (৫–১০ বছর) | ৳৭,০০০ | — |
| পুরো জাহাজ (এমভি সুন্দরী) | ৳৩,৮০,০০০ | ৪০ জন পর্যন্ত |
মূল্য জনপ্রতি এবং মৌসুমভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। ১৫ জনের বেশি দলের জন্য বিশেষ ছাড় প্রযোজ্য। বিদেশি পর্যটকদের ক্ষেত্রে বন বিভাগের ফি আলাদা।
৩ বেলা খাবার, সকাল-বিকেলের নাশতা ও সীমাহীন চা।
দুই রাত জাহাজের কেবিনে, বিছানাপত্রসহ।
প্রবেশ ফি, গাইড চার্জ ও সশস্ত্র গার্ড।
সরু খালে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই।
লাইফ জ্যাকেট ও প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স।
দ্বিতীয় রাতে গান ও খোলা ডেকে আড্ডা।
মোট মূল্যের ৫০% অগ্রিম দিলে আসন নিশ্চিত হয়। বাকি অর্থ যাত্রার ৩ দিন আগে পরিশোধ করতে হয়। বিকাশ, নগদ, ব্যাংক ট্রান্সফার বা অফিসে সরাসরি — সব মাধ্যমেই দেওয়া যায়।
১৫ জন। এর কম হলে অন্য দলের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়, অথবা পরবর্তী নির্ধারিত যাত্রায় স্থানান্তর করা যায়।
জাহাজে নিজস্ব বাবুর্চি তাজা রান্না করেন — ভাত, মাছ, মাংস, সবজি, ডাল ও মৌসুমি ফল। খাবারে বিশেষ প্রয়োজন (ডায়াবেটিস, অ্যালার্জি) থাকলে বুকিংয়ের সময় জানালে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়।
প্রতিটি কেবিনে বিছানা, বালিশ, কম্বল, ফ্যান ও আলো থাকে। বড় কেবিনগুলোতে সংযুক্ত ওয়াশরুম রয়েছে; বাকিদের জন্য কমন ওয়াশরুম।
বাঘ দেখা ভাগ্যের ব্যাপার — বছরে অল্প কিছু দলই সরাসরি দেখতে পান। তবে হরিণ, বানর, কুমির, বন্য শূকর ও নানা প্রজাতির পাখি প্রায় প্রতিটি যাত্রাতেই দেখা যায়।
হারবাড়িয়া পর্যন্ত মোটামুটি নেটওয়ার্ক থাকে। কটকা-কচিখালীতে মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রায় থাকে না — জরুরি যোগাযোগের জন্য জাহাজে ওয়্যারলেস সেট রয়েছে।
হ্যাঁ। তবে জামতলা সৈকতে হাঁটার অংশটি ৩ কিলোমিটার — বয়স্ক অতিথিরা চাইলে জাহাজে বিশ্রাম নিতে পারেন। ৫ বছরের কম শিশুদের জন্য ফি লাগে না।
আবহাওয়া বা সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে বাতিল হলে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত, অথবা আপনার পছন্দমতো অন্য তারিখে স্থানান্তর করা হয়।
আপনার পছন্দের তারিখ ও দলের সদস্যসংখ্যা জানান — সাথে সাথেই জানিয়ে দেব।
যোগাযোগ করুন