সকালের নাশতা
যাত্রার শুরুতে জাহাজে।
পরিবার নিয়ে স্বল্প সময়ের ভ্রমণ — করমজল ও আশপাশ, শিশুদের জন্যও উপযুক্ত।
সকাল ৭:০০ — রূপসা ঘাট থেকে যাত্রা, জাহাজে সকালের নাশতা।
সকাল ১০:৩০ — করমজল কুমির ও হরিণ প্রজনন কেন্দ্র।
দুপুর ১২:০০ — কাঠের ট্রেইল ও ওয়াচ টাওয়ার।
দুপুর ১:৩০ — জাহাজে দুপুরের খাবার ও ফিরতি যাত্রা।
বিকেল ৪:৩০ — বিকেলের নাশতা ও চা।
সন্ধ্যা ৭:০০ — রূপসা ঘাটে পৌঁছানো।
| ধরন | মূল্য | ন্যূনতম |
|---|---|---|
| জনপ্রতি (প্রাপ্তবয়স্ক) | ৳২,২০০ | — |
| শিশু (৫–১০ বছর) | ৳১,৪০০ | — |
| দলগত (২০+ জন) | ৳১,৯০০ জনপ্রতি | ২০ জন |
| পুরো জাহাজ | ৳৫২,০০০ | ২৪ জন পর্যন্ত |
মূল্য জনপ্রতি এবং মৌসুমভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। ১৫ জনের বেশি দলের জন্য বিশেষ ছাড় প্রযোজ্য। বিদেশি পর্যটকদের ক্ষেত্রে বন বিভাগের ফি আলাদা।
যাত্রার শুরুতে জাহাজে।
তাজা রান্না, ভাত-মাছ-সবজি।
ফেরার পথে।
বন বিভাগের টিকিটসহ।
মোট মূল্যের ৫০% অগ্রিম দিলে আসন নিশ্চিত হয়। বাকি অর্থ যাত্রার ৩ দিন আগে পরিশোধ করতে হয়। বিকাশ, নগদ, ব্যাংক ট্রান্সফার বা অফিসে সরাসরি — সব মাধ্যমেই দেওয়া যায়।
২০ জন। এর কম হলে অন্য দলের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়, অথবা পরবর্তী নির্ধারিত যাত্রায় স্থানান্তর করা যায়।
জাহাজে নিজস্ব বাবুর্চি তাজা রান্না করেন — ভাত, মাছ, মাংস, সবজি, ডাল ও মৌসুমি ফল। খাবারে বিশেষ প্রয়োজন (ডায়াবেটিস, অ্যালার্জি) থাকলে বুকিংয়ের সময় জানালে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়।
প্রতিটি কেবিনে বিছানা, বালিশ, কম্বল, ফ্যান ও আলো থাকে। বড় কেবিনগুলোতে সংযুক্ত ওয়াশরুম রয়েছে; বাকিদের জন্য কমন ওয়াশরুম।
বাঘ দেখা ভাগ্যের ব্যাপার — বছরে অল্প কিছু দলই সরাসরি দেখতে পান। তবে হরিণ, বানর, কুমির, বন্য শূকর ও নানা প্রজাতির পাখি প্রায় প্রতিটি যাত্রাতেই দেখা যায়।
হারবাড়িয়া পর্যন্ত মোটামুটি নেটওয়ার্ক থাকে। কটকা-কচিখালীতে মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রায় থাকে না — জরুরি যোগাযোগের জন্য জাহাজে ওয়্যারলেস সেট রয়েছে।
হ্যাঁ। তবে জামতলা সৈকতে হাঁটার অংশটি ৩ কিলোমিটার — বয়স্ক অতিথিরা চাইলে জাহাজে বিশ্রাম নিতে পারেন। ৫ বছরের কম শিশুদের জন্য ফি লাগে না।
আবহাওয়া বা সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে বাতিল হলে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত, অথবা আপনার পছন্দমতো অন্য তারিখে স্থানান্তর করা হয়।
আপনার পছন্দের তারিখ ও দলের সদস্যসংখ্যা জানান — সাথে সাথেই জানিয়ে দেব।
যোগাযোগ করুন